Sponsor

.“...ঝড়ের মুকুট পরে ত্রিশূণ্যে দাঁড়িয়ে আছে, দেখো স্বাধীন দেশের এক পরাধীন কবি,---তার পায়ের তলায় নেই মাটি হাতে কিছু প্রত্ন শষ্য, নাভিমূলে মহাবোধী অরণ্যের বীজ... তাকে একটু মাটি দাও, হে স্বদেশ, হে মানুষ, হে ন্যাস্ত –শাসন!— সামান্য মাটির ছোঁয়া পেলে তারও হাতে ধরা দিত অনন্ত সময়; হেমশষ্যের প্রাচীর ছুঁয়ে জ্বলে উঠত নভোনীল ফুলের মশাল!”~~ কবি ঊর্ধ্বেন্দু দাশ ~০~

Friday, May 25, 2012

কাঁটাবন

বার বারই ভাবি যথেষ্ঠ হয়েছে  আর নয় --সঙ্গে সঙ্গে পাঁজরের তলায় একমুখ উগরে লাভা,  চোখ পাঁজরের ভেতরে সেঁধিয়ে ছটফট  , শিরাগুলো টান টান ,দপ দপ কপালের রগ্‌ , এক টুস্কিতে সারা গা বেয়ে নেমে আসবে রক্তের ধারা , অথচ কি আশ্চর্য মন থেকে সে তো বৃষ্টিতে ভিজতেই চেয়েছিল , ভিজবে বলেই ধেয়ে আসা অঝোরকে কখনও জড়িয়ে ধরেছে কখনও পাশ কাটিয়ে গেছে।
 আবার ঈশ্বরকে যত আকড়ে ধরতে চেয়েছে বার বার ঝড়ের ঝাপটায় দূরে সরেছে , আস্তে আস্তে ভীষণ পর মনে হয়েছ  তাঁকে , যত দিন গেছে শয়তানের সঙ্গেই ভাব  হয়েছে , অন্তত পক্ষে তাঁর একটি স্ফটিক চেহারা আছে ,বাকা আঙ্গুলে ঘি তোলার দর্শন  নেই ,সাদাকে সাদা কালোকে কালো বলে দৃঢ় ভাবে , নাম ভাঁড়িয়ে নিয়তি নিয়তি খেলায় মানুষকে দূরে ঠেলে বসে মজা দেখেনা ,  ঈশ্বরের কাছে কোন পাকা হিসেবও নেই , যুক্তি  দিয়ে বোঝাতে পারবে না তার খেলার খতিয়ান ,কেন বৃষ্টির বদলে রক্ত  ! ভারি মহানের বড়াই !
আবার ঢের হয়েছে বাপু  আর নয় বললে তো সে তোমার পিছু ছাড়বে না বার বারই বাড়িয়ে দেবে কাঁটা সহ একটি  ডাল , রক্তাক্ত তোমার হাত , ঘেমে উঠবে তুমি রক্ত চানে , তোমায় নিদান দেবে বৃষ্টি তো সবার জন্যে নয়,  চণ্ডী তৈরি করার  খেলায় অন্নপূর্ণার  হার তো হবেই  ।
একটি সোজা আলপথ ধরে যতই  এগোও পথের পাড়ে জরি চুমকির সালমা কাজের জন্যে ক জীবন অপেক্ষা করতে হবে তা কোন খেরোর খাতায় লেখা নেই ;নিরেট লাল সুতোয় বোনা আল ধরে ছুটে চলা অন্তহীন ...।

Tuesday, May 22, 2012

সবুজ হয়ে উঠবে মাটি



পর হয়ে আছে যারা , আসবে তারাও ,
এই পৃথিবীর মাঠে মাঠে , বুনবে বীজ ।
 সবুজ হয়ে উঠবে মাটি
এই ভরসায় আজও হাঁটি.........

Monday, May 21, 2012

অসম তথা অন্যত্র ১৯শে মে, ভাষা শহিদ দিবসের সংগ্রহ।

            অসম তথা অন্যত্র ১৯শে মে, ভাষা শহিদ দিবসের সংগ্রহ। দিবসটি সম্পর্কিত কিছু ছবি, এদিন বা তার পরদিন নানা কাগজে প্রকাশিত কিছু লেখা লেখি এবং নানা জায়গাতে পালনের কিছু সংবাদ এখানে রইল। সকাল বেলার পিডিএফ তুলে দিলাম, ২০শে মে তারিখের। কারণ এতোগুলো সংবাদ থেকে আলাদা করে ইমেজ ফাইল তৈরিটা বেশ ঝক্কির ব্যাপার। ছবিগুলো দু'বার ক্লিক করলেই বড় হয়ে যাবে, আর পিডিএফের নিচের বোতাম দেখুন ইচ্ছে করলেই পুরো পর্দা জুড়ে পড়তে পাবেন। 
            শুরুতেই তিনসুকিয়াতে 'উজান ' সাহিত্য গোষ্ঠীর উনিশ উদযাপন প্রসঙ্গ। ঘটনাচক্রে সেদিন এই অনুষ্ঠানে এসে উপস্থিত হয়েছিলেন শিলচর থেকে দুই বন্ধু। বরাক আর্ট এন্ড ক্রাফট--যারা বরাক উপত্যকার চিত্র শিল্প আন্দোলনে বেশ একটা জোয়ার নিয়ে এসছেন সেই সংগঠনের দুই সংগঠক শিল্পী অরুণ পাল এবং শ্যামল সাহা। পর দিন সন্ধ্যেতে তাঁদের নিয়ে আমার বাড়িতে জমেছিল বেশ এক আড্ডা। আড্ডার বিষয় ছিল, সেই--চিত্রশিল্প। উজানের সদস্যাদের মধ্যে একজন রয়েছেন নীহারিকা দেবী। তাঁর বাড়ি ছিল কাছাড়ের কাঠিগড়াতে। কাঠিগড়া, বদরপুর এলাকার সংগ্রামের সঙ্গে তিনি জড়িত ছিলেন। এই নিয়ে ১৯শের দিনেই দৈনিক যুগশঙ্খে একটি সংবাদ বেরিয়েছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যত আমি সেদিন সেটি সেভ করবার একেবারেই সময় পাইনি, এখন আর পাবার উপায় নেই। যাই হোক, একেবারে উপরের ছবিটি তাঁরই।

                                                               শহিদ কমলা ভট্টাচার্য




২০শে মে, ২০১২ , সকাল বেলা

Saturday, May 19, 2012

উনিশ যখন আসে


















সেদিন হঠাৎ চলন্তিকার পড়লো খোঁজ
আসলে উনিশ আসছে তো
কবিতা লিখতে হবে, বাঙ্গালী না?
পাছে, বানান ভুল হয় যদি...
তাই চলন্তিকার খোঁজ
কাগজে দিতে পারলেই যথেষ্ট
ব্যস, দায়িত্ববোধ টা এতেই সারা
ওদের কিংবা ওদের ভাষার প্রতি।
সময় পেলে না হয় একবার
শহীদ বেদীতেও যাব, মালা পরাতে
ওদের আত্মা বুঝি ঐ খানটায় আসে
আমাদের গাল ভরা শপথ শুনতে,
উনিশের শপথ।
ও হ্যাঁ, যাওয়া বোধ হয় হবে না
আমাকে যে আবার মালা পরাতে হবে
"মিস বরাকের" গলায়, ঐ দিন ই তো !!!

Thursday, May 17, 2012

ভোর কি আদৌ হবে????

চোখের জলে জন্ম তার, নাম সুরধনী,
যুগ যুগ ধরে বয়ে চলা , পাপের এন্টিসেপ্টিক হাতে।
না, পাপ তোমার কমেনি বৈকি বেড়েছে ,
শুষে নিয়ে রোগের ভার সেও আজ রুগ্ন।
অবসাদের কালিমায় অবশ অন্তর , গায়ে কালশিটে ,
সেও আজ কাঁদে সব হারানোর বেদনায়।
তারা, কুন্তি, দ্রৌপদীরা খুঁজে ফেরে আশ্রয়,
 
সতীত্বের মহাগাথার আনাচে কানাচে।
ভোর কি আদৌ হবে, প্রশ্ন কাঁঠাল পাখীর বুকে।

          

Sunday, May 13, 2012

একা ও মণিমালা


মণিমালা-১৯












ভাব নিয়ে ভাবছি যখন -তোমার কথা ভাবছি না,
গদ্য গুলো উদাস হলো- পদ্য গুলো আসছে না।
সবুজ সাথীর দিন গুলো নেই-হলো কত রূপান্তর ,
সে সব দিন উদাস পাগল –আজ যদি ও অবান্তর ।
 সময় আমার বদলে গেছে –নেই রেডিও গ্রামোফোন ,
নিওন আলো তেজ হারানো – তারার আকাশ আপনজন ।
উপকরণ সব সাজানো- পসরা মোড়া সুখের ঘর ,
মন শুধু সব হারানো- বোকা একা স্বার্থপর ।
তবু রাখি মনিমালা দ্বীপ জ্বেলে ঘরে-
একা শুধু বসে থাকি- ব্যর্থ কোজাগরে 


                                                   (c) ছবি

দেবাশিস তরফদারের নতুন উপন্যাস 'শরাইঘাটঃ একটি প্রেম কাহিনী' প্রকাশ পেল আজ

             "১৯৭৭খ্রীস্টাব্দের সেপ্টেম্বর মাসের এক বিকালে একটি তরুণ জালুকবারীর এক জনশূন্য বাসস্ট্যাণ্ডে দাঁড়াইয়া বৃষ্টি দেখিতেছিল"--এভাবেই শুরু হয়েছে দেবাশিস তরফদারের নতুন উপন্যাস 'শরাইঘাটঃ একটি প্রেম কাহিনী' । প্রকাশ করেছে শিলচরের 'আবাহন'। প্রকাশ পেল এই ভাবেই, দৈনিক সাময়িক প্রসঙ্গে তিনটি মূলব্যান সমালোচনা নিবন্ধের মধ্যি দিয়ে, লিখছেনঃ অনিতা দাস ট্যান্ডন, মনোতোষ চক্রবর্তী এবং অমিতাভ দেবচৌধুরী। মূল্যবান এই তিনটি নিবন্ধ এখানে সংরক্ষণ করে, আমরাও শরিক হলাম এই প্রকাশ অনুষ্ঠানের। নিচের ছবিতে দু'বার ক্লিক করুন, তার পর ctrl+ টিপতে থাকুন, বড় হতে থাকবে, আর পড়তে পাবেন।
                                
                                          (বইটি পেতে চাইলে লিখুনঃ আবাহন প্রকাশনী,প্রেমতলা, শিলচর, কাছাড়, আসাম, ৭৮৮০০১;
 দূরভাষঃ ০৩৮৪২-২৩১৮৪৪ / ০৯৭০৬১৬৮৮১১)

Friday, May 11, 2012

‘ভাষা শহীদ স্টেশন,শিলচর’ নামাকরণের দাবি সংসদে তুললেন ফরোয়ার্ড ব্লক সাংসদ



শ্চিম বাংলার রাজ্যসভার সাংসদ এবং ফরোয়ার্ড ব্লক নেতা বরুণ মুখোপাধ্যায় গত ৮মে, ১২ তে ‘ভাষা শহীদ স্টেশন,শিলচর’ নামাকরণের আবশ্যকতা সংসদে তুলে ধরেন। সরাষ্ট্রমন্ত্রকের কটুক্তি ‘উনিশ আঞ্চলিক দেশপ্রেম’ কথাটিরও তীব্রবিরোধিতা সহ অবিলম্বে শিলচর স্টেশনকে নতুন নামাকরণের দাবি জানান।
           ১৮০ (এ) ধারার অধীনে বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী তিনি সংসদে বিষয়টি উত্থাপন করেন। উল্লেখ্য, ছত্রিশগড়ের গোমো রেলওয়ে স্টেশনকে নেতাজী সুভাষের নামে নামাকরণ করা হয়েছে। এই নামাকরণ আন্দোলনের অন্যতম কর্মকর্তা ছিলেন এই সাংসদ।
             গত ডিসেম্বরে তিনি শিলচর সফরে এসছিলেন। তখন ফরোয়ার্ড ব্লকের স্থানীয় নেতৃত্ব মিহির নন্দি এবং পূর্তবিভাগের ইঞ্জিনিয়ার নীহার রঞ্জন পাল সম্মিলিত সাংস্কৃতিক মঞ্চের কর্মকর্তাদের সুযোগ করে দেন এই বিষয় নিয়ে আলোচনার ।মঞ্চের বিশ্বজিত দাস এবং রাজীব করের সাথে অনেক্ষণ কথা বলে গত আন্দোলনের চিত্রটা বোঝেন এবং কথা দিয়ে যান বিষয়টি সংসদে তুলবেন। স্বভাবতই প্রশ্ন উঠে পশ্চিম বঙ্গতে একের পর এক নাম পরিবর্তন হয়েছে শুধুমাত্র মমতা ব্যানার্জীর ইচ্ছে মতো।সেখানে সরাষ্ট্রমন্ত্রকের কোনো মতামতই গ্রাহ্য হচ্ছে না। অথচ, এই আত্মপরিচয়ের লড়াইএর ইতিহাসকে ‘আঞ্চলিক দেশপ্রেম’ বলা হচ্ছে কোন আইনে?

          বরাক উপত্যকার আত্মমর্যাদা ‘উনিশ মে ১৯৬১’ কে সম্মানিত করার এই লড়াই এ পশ্চিম বাংলার এই সাংসদ বরুণ মুখোপাধ্যায়ের ভূমিকাতে উপত্যকার সাংস্কৃতিক আন্দোলন গর্বিত।
ইতি
আহ্বায়ক,
নামাকরণ দাবি উপসমিতি,
সম্মিলিত সাংস্কৃতিক  মঞ্চ ,শিলচর।
যোগাযোগঃদূরভাষঃ 09401000066 /09435070883
বৈ-ডাকঃ  sammilitamancha@gmail.com / drrajibkar@gmail.com

http://www.unishemay.org/english-pages/language.htm





আরো পড়তে পারেন

Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...