“...ঝড়ের মুকুট পরে ত্রিশূণ্যে দাঁড়িয়ে আছে, দেখো ,স্বাধীন দেশের এক পরাধীন কবি,---তার পায়ের তলায় নেই মাটি হাতে কিছু প্রত্ন শষ্য, নাভিমূলে মহাবোধী অরণ্যের বীজ...তাকে একটু মাটি দাও, হে স্বদেশ, হে মানুষ, হে ন্যাস্ত –শাসন!—সামান্য মাটির ছোঁয়া পেলে তারও হাতে ধরা দিত অনন্ত সময়; হেমশষ্যের প্রাচীর ছুঁয়ে জ্বলে উঠত নভোনীল ফুলের মশাল!” ০কবি ঊর্ধ্বেন্দু দাশ ০

মঙ্গলবার, ১ মার্চ, ২০১৬

বিপন্ন ঈশ্বর


।। দেবলীনা সেনগুপ্ত।।

(C)Imageঃছবি




















পৃথিবীর অক্ষ দ্রাঘিমায়
যখন এসে পড়েছিল তির্যক সূর্যকর
সে সন্দেহ ঋতুকালে
সমস্ত সবুজ ফল ও ফসল
ধুসর মৃত্যুতে নিশ্চিত করেছিল
অকাল আত্মমোচন
ছায়া অবয়ব এবং জড়বুদ্ধি জাতকেরা
জীবিত লাশের মত
মুখোমুখি দাঁড়িয়েছিল
অর্থহীন প্রতিহিংসাস্পৃহায়-
মহৎ উত্তরণ নয়
নীতিহীন অতিক্রমণই একমাত্র অভিপ্রায়।
পরিত্রাণ পরায়ণে বিফল ঈশ্বর
তখন স্বেচ্ছায় প্রতিবন্ধী হলেন
কোথায় রাখবেন অকুণ্ঠ আশীর্বাদ?
নিরুত্তর প্রশ্নে বিচলিত তিনি
কেটে ফেললেন প্রসারিত দুই হাত
তাঁর সৃষ্টির মত
স্রষ্টাও আজ বিপন্ন...অনাথ

কোন মন্তব্য নেই: