.“...ঝড়ের মুকুট পরে ত্রিশূণ্যে দাঁড়িয়ে আছে, দেখো স্বাধীন দেশের এক পরাধীন কবি,---তার পায়ের তলায় নেই মাটি হাতে কিছু প্রত্ন শষ্য, নাভিমূলে মহাবোধী অরণ্যের বীজ... তাকে একটু মাটি দাও, হে স্বদেশ, হে মানুষ, হে ন্যাস্ত –শাসন!— সামান্য মাটির ছোঁয়া পেলে তারও হাতে ধরা দিত অনন্ত সময়; হেমশষ্যের প্রাচীর ছুঁয়ে জ্বলে উঠত নভোনীল ফুলের মশাল!”~~ কবি ঊর্ধ্বেন্দু দাশ ~০~

বুধবার, ১০ জানুয়ারী, ২০১৮

অসম্পাদকীয়

সম্পাদক সাজার একটা লোভ মনোমধ্যে জাঁকিয়ে বসে তরুণ লেখকদের মনে একটা সময় । সেই দুঃসময়ের  মোকাবেলা করতে হয়েছে আমাকেও । যাক, আর কিছু পারি না পারি, অন্যখানে যাদের নাকানিচুবানি খেতে হয় আমি সেখানটা উৎরে গেছি আপসে । লেখা না ছাপার দুঃখ, লেখা ছাপার যন্ত্রণা, সব পেরিয়ে আসতে সময় লেগেছে ঊনিশ বছর । গরু-ছাগল-সজারু-মুরোগ এবং শিশুদের জন্য সময়কালটা অনেক হলেও সাধারণ মানুষের জন্য ঠিক তা নয় ।

যে কথা বলার জন্য এ লেখা লিখছি সেটা হচ্ছে এই যে, সাহিত্যের জগৎ থেকে অভিজিৎ দাস বিদায় নিচ্ছে । আমি আর Poetaster নই । সাহিত্য বোঝার কিছুটা ক্ষমতা এতদিনে হয়েছে, তারপরেও যদি  এভাবে অন্তর্জালময় হিজিবিজি পঙক্তি ছড়িয়ে রাখি তাহলে সেটা নেহাতই বেইমানি হবে, নিজের সাথেই । এমন বেইমান চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে অসংখ্য, আমি আর জনসংখ্যা বাড়াতে চাইনা ।

বরং আমি নিজের কণ্ঠ আরো জোড়ালো করবো । অনেক কথা বলার আছে, অনেকের কথা বলার আছে । অশুদ্ধিমণ্ডিত কতক বাক্য একের পর এক বসিয়েও আমি অনেক কথা বলতে পারি, অনেকেই সেটা প্রচারের দায়ভার নিতে প্রস্তুত --- সেটাই আমার কাছে অনেক ।


শুভবুদ্ধি হোক ফেসবুক কবিবান্ধবদের,
শুভকামনা,
অভিজিৎ



একটি মন্তব্য পোস্ট করুন