“...ঝড়ের মুকুট পরে ত্রিশূণ্যে দাঁড়িয়ে আছে, দেখো ,স্বাধীন দেশের এক পরাধীন কবি,---তার পায়ের তলায় নেই মাটি হাতে কিছু প্রত্ন শষ্য, নাভিমূলে মহাবোধী অরণ্যের বীজ...তাকে একটু মাটি দাও, হে স্বদেশ, হে মানুষ, হে ন্যাস্ত –শাসন!—সামান্য মাটির ছোঁয়া পেলে তারও হাতে ধরা দিত অনন্ত সময়; হেমশষ্যের প্রাচীর ছুঁয়ে জ্বলে উঠত নভোনীল ফুলের মশাল!” ০কবি ঊর্ধ্বেন্দু দাশ ০

শুক্রবার, ১১ মে, ২০১৮

একাশ্রয়

।। অভীক কুমার দে ।।

(C)Image:ছবি

লমের শারীরিক ভয় থাকে না। যতক্ষণ কালি থাকে কাগজের বুক খোদাই করে।
কাগজও বোঝে এই আঘাত সমৃদ্ধির। একদিন তো প্রেম হবেই, প্রেমিক হবে কেউ।
কাগজে শব্দ থাকে না। শব্দ জমা হলেই-- 
কালির আওয়াজ গভীরে জেগে একাশ্রয়। নাহলে মিথ্যে জীবন, কষ্টের আওয়াজ, অযত্নে মুড়মুড়ে বুক ভাঙে কাগজের।
কবিতে ঘুম থাকে না, বরং যে শরীরে বেড়াতে আসে সে শরীর ক্লান্ত হলে ঘুমায়। কবি জেগে থেকেই শব্দ শোনায়। মন সে শব্দের পিছে ছুটে পূজারির মতো।


কোন মন্তব্য নেই: